অসুখী একজন- পাবলো নেরুদা | দশম শ্রেণী | বাংলা | Asukhi Ekjon kobita Question - Answer | অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর

অসুখী একজন
অসুখী একজন

সুপ্রিয় মাধ্যমিক শিক্ষার্থী বন্ধুরা আশা করি সকলে ভালো আছো । আজ আমরা দশম শ্রেণীর অসুখী একজন কবিতার সকল প্রশ্নের সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছি। এমনকি কবিতা, উৎস,  কবি-পরিচিতি, সারাংশ,  মূলভাব  নিম্মে আলোচিত হল, আশা রাখি তোমাদের খুবই কাজে আসবে। দেরি না করে অসুখী একজন ঝটপট পড়তে শুরু করো ... 




অসুখী একজন 
পাবলো নেরুদা

আমি তাকে ছেড়ে দিলাম
 অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রেখে দরজায়
আমি চলে গেলাম দূর… দূরে। 
সে জানত না আমি আর কখনো ফিরে আসব না।
একটা কুকুর চলে গেল, হেঁটে গেল গির্জার এক নান 
একটা সপ্তাহ আর একটা বছর কেটে গেল। 
বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ
 ঘাস জন্মালো রাস্তায় 

আর একটার পর একটা,পাথরের মতো 
পর পর পাথরের মতো, বছরগুলো 
নেমে এল তার মাথার ওপর। 

তারপর যুদ্ধ এল 
রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো।
 শিশু আর বাড়িরা খুন হলো।
 সেই মেয়েটির মৃত্যু হলো না। 

সমস্ত সমতলে ধরে গেল আগুন
 শান্ত হলুদ দেবতারা
 যারা হাজার বছর ধরে
 ডুবে ছিল ধ্যানে
 উল্টে পড়ল মন্দির থেকে টুকরো টুকরো হয়ে
 তারা আর স্বপ্ন দেখতে পারল না।
 সেই মিষ্টি বাড়ি, সেই বারান্দা
 যেখানে আমি ঝুলন্ত বিছানায় ঘুমিয়েছিলাম, 
গোলাপি গাছ, ছড়ানো করতলের মতো পাতা
 চিমনি, প্রাচীন জলতরঙ্গ
 সব চূর্ণ হয়ে গেল, জ্বলে গেল আগুনে। 

যেখানে ছিল শহর
 সেখানে ছড়িয়ে রইল কাঠকয়লা
 দোমড়ানো লোহা, মৃত পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথা
রক্তের একটা কালো দাগ।
আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়।
                                         
তরজমা: নবারুণ ভট্টাচার্য

📘 লাইন ধরে ব্যাখ্যা

কবিতা: ‘অসুখী একজন’ – পাবলো নেরুদা

১️⃣ “আমি তাকে ছেড়ে দিলাম… আমি চলে গেলাম দূর… দূরে।”

কবি প্রিয় নারীকে দরজায় অপেক্ষায় রেখে চলে যান। এটি বিচ্ছেদ ও নিষ্ঠুর সিদ্ধান্তের প্রকাশ।

২️⃣ “সে জানত না আমি আর কখনো ফিরে আসব না।”

মেয়েটি আশায় ছিল, কিন্তু কবি জানতেন—এই বিচ্ছেদ চিরস্থায়ী।

৩️⃣ “একটা কুকুর চলে গেল… একটা বছর কেটে গেল।”

দৈনন্দিন জীবনের চলমানতা বোঝানো হয়েছে—সময় থেমে থাকে না।

৪️⃣ “বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ / ঘাস জন্মালো রাস্তায়”

প্রকৃতি সময়ের সঙ্গে সব চিহ্ন মুছে দেয়—কবির অস্তিত্বও।

৫️⃣ “পাথরের মতো বছরগুলো / নেমে এল তার মাথার ওপর”

দীর্ঘ অপেক্ষা মেয়েটির জীবনে ভার হয়ে নেমে আসে।

৬️⃣ “তারপর যুদ্ধ এল / রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো”

যুদ্ধের ভয়াবহতা ও রক্তক্ষয়ী রূপ তুলে ধরা হয়েছে।

৭️⃣ “শিশু আর বাড়িরা খুন হলো”

যুদ্ধ নিরপরাধ মানুষ ও ঘরবাড়ি ধ্বংস করে—মানবতার মৃত্যু ঘটে।

৮️⃣ “সেই মেয়েটির মৃত্যু হলো না”

সব ধ্বংস হলেও মেয়েটি বেঁচে থাকে—অপেক্ষার প্রতীক হিসেবে।

৯️⃣ “দেবতারা… উল্টে পড়ল মন্দির থেকে”

যুদ্ধ ধর্ম, বিশ্বাস ও সভ্যতাকেও ধ্বংস করে দেয়।

🔟 “যেখানে ছিল শহর… রক্তের একটা কালো দাগ”

সভ্য শহর পরিণত হয় ধ্বংসস্তূপে।

🔚 “আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”

সবশেষে শুধু অপেক্ষাই বেঁচে থাকে—এটাই কবিতার মূল বেদনা।

ভাবার্থ

কবিতাটিতে একজন পুরুষ তার প্রিয় নারীকে দরজায় অপেক্ষায় রেখে চিরতরে চলে যাওয়ার কথা বলছে। সময় এগিয়ে যায়—দিন, বছর, যুগ—প্রকৃতি তার পায়ের ছাপ মুছে দেয়, কিন্তু মেয়েটির অপেক্ষা শেষ হয় না। এরপর আসে যুদ্ধ—ভয়াবহ, রক্তক্ষয়ী, ধ্বংসাত্মক। শহর, ঘর, মন্দির, দেবতা—সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়। তবু সেই মেয়েটি বেঁচে থাকে, অপেক্ষায় থাকে।

মূল বিষয় ও প্রতীক

  • অপেক্ষা: মেয়েটির অবিরাম অপেক্ষা মানবিক ভালোবাসা ও আশার প্রতীক।

  • সময়: “পাথরের মতো বছর” সময়ের নিষ্ঠুর ভার বোঝায়।

  • যুদ্ধ: শুধু মানুষের নয়, সভ্যতা, স্মৃতি ও স্বপ্নের ধ্বংস।

  • প্রকৃতি ও দেবতা: ধ্যানমগ্ন দেবতাদের পতন দেখায়—যুদ্ধ সব পবিত্রতাকেও ভেঙে দেয়।

  • অসুখী মানুষ: কবির অপরাধবোধ—সে ফিরে আসেনি, কিন্তু মেয়েটি অপেক্ষা করে গেছে।

সারকথা

এটি প্রেম-বিচ্ছেদ, সময়ের নিষ্ঠুরতা ও যুদ্ধের সর্বগ্রাসী ধ্বংসের কবিতা। সবকিছু পুড়ে ছাই হলেও মানুষের অপেক্ষা ও স্মৃতি টিকে থাকে—এটাই কবিতার সবচেয়ে বেদনাময় সত্য।


পাবলো নেরুদার মূল কবিতা 'La Desdichada'-এর নবারুণ ভট্টাচার্য কৃত এই অনুবাদটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং মর্মস্পর্শী। 'অসুখী একজন' কবিতাটি মূলত যুদ্ধ, ধ্বংস এবং অপেক্ষার এক মহাকাব্যিক আখ্যান।

এখানে কবিতাটির মূল ভাব ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করা হলো:

১. চিরন্তন অপেক্ষা

কবিতাটি শুরু হয় এক বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে। কথক তার প্রিয়তমাকে দরজায় দাঁড় করিয়ে রেখে দূরে চলে যান। সময়ের প্রবাহ বোঝাতে কবি কুকুর, গির্জার নান এবং ঘাস জন্মানোর অনুষঙ্গ ব্যবহার করেছেন। বছরের পর বছর কেটে গেলেও মেয়েটির অপেক্ষা ফুরায় না; সেই প্রতীক্ষা তার কাছে পাথরের মতো ভারী হয়ে ওঠে।

২. যুদ্ধের ধ্বংসলীলা

শান্ত ও স্থির জীবনের ওপর নেমে আসে যুদ্ধের বিভীষিকা। কবি যুদ্ধকে তুলনা করেছেন 'রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের' সাথে। এই যুদ্ধে কোনো ভেদাভেদ নেই—শিশু এবং ঘরবাড়ি সমানভাবে ধ্বংস হয়। এমনকি দীর্ঘকাল ধ্যানে মগ্ন 'শান্ত হলুদ দেবতারা'ও রক্ষা পান না। তাদের মন্দির ভেঙে পড়ে এবং তারা তাদের স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এটি মূলত প্রচলিত ধর্ম বা বিশ্বাসের অসহায়ত্বকেই ফুটিয়ে তোলে।

৩. স্মৃতি ও ধ্বংসের বৈপরীত্য

কবি তার ফেলে আসা প্রিয় মুহূর্তগুলোর কথা স্মরণ করেছেন:

  • ঝুলন্ত বিছানা

  • গোলাপি গাছ

  • প্রাচীন জলতরঙ্গ (এক ধরণের বাদ্যযন্ত্র)

  • করতলের মতো পাতা

এসবই যুদ্ধের আগুনে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। যুদ্ধের পর শহরের চেহারা পাল্টে গিয়ে সেখানে কেবল পড়ে থাকে কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা আর বীভৎস পাথরের মাথা।

৪. ভালোবাসার অমরত্ব

কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো—যুদ্ধ সবকিছু ধ্বংস করতে পারলেও সেই অপেক্ষারত মেয়েটিকে মারতে পারে না। "সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়"—এই শেষ লাইনটি প্রমাণ করে যে ধ্বংসের স্তূপের মাঝেও মানবিক ভালোবাসা এবং প্রতীক্ষা অমর। মৃত্যু এবং ধ্বংসের ঊর্ধ্বে এক শাশ্বত সত্য হিসেবে মেয়েটি টিকে থাকে।

পাবলো নেরুদার এই কবিতাটি কেবল বিরহের নয়, এটি যুদ্ধের এক ভয়াবহ দালিলিক প্রমাণ। এর প্রেক্ষাপট এর পেছনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং কিছু বিশেষ প্রতীকের গভীর অর্থ নিচে আলোচনা করা হলো:

১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ (Spanish Civil War)

নেরুদা যখন স্পেনে চিলির কনসাল হিসেবে কর্মরত ছিলেন, তখন সেখানে গৃহযুদ্ধ (১৯৩৬-১৯৩৯) শুরু হয়। এই যুদ্ধে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং প্রখ্যাত কবি ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা আততায়ীর হাতে নিহত হন। এই ব্যক্তিগত ক্ষতি এবং যুদ্ধের নৃশংসতা নেরুদাকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল।

  • রক্তের আগ্নেয়পাহাড়: কবিতায় যুদ্ধের এই উপমাটি সরাসরি স্পেনের সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামকে নির্দেশ করে।

  • শান্ত হলুদ দেবতারা: হাজার বছর ধরে ধ্যানে মগ্ন দেবতাদের উল্টে পড়া মূলত ইউরোপের দীর্ঘকালীন ঐতিহ্য, মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের ভেঙে পড়াকে বোঝায়। যুদ্ধের সামনে কোনো অলৌকিক শক্তিই মানুষকে রক্ষা করতে পারেনি।

২. গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকের ব্যাখ্যা

প্রতীকতাৎপর্য
পাথরের মতো বছরসময় যখন খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়, তখন তা স্থির ও ভারী মনে হয়। এখানে প্রতীক্ষার অসহ্য ভার বোঝাতে 'পাথর' ব্যবহার করা হয়েছে।
পায়ের দাগ ধুয়ে যাওয়াএটি অস্তিত্ব মুছে যাওয়ার প্রতীক। কথক আর কখনোই ফিরবেন না—প্রকৃতি যেন তার সেই ফেরার পথকেও মুছে ফেলেছে।
জলতরঙ্গ ও গোলাপি গাছএগুলো যুদ্ধের আগের সুন্দর, ছন্দময় ও নান্দনিক জীবনের প্রতীক। যা পরবর্তীতে কাঠকয়লা আর দোমড়ানো লোহায় পরিণত হয়।
রক্তের কালো দাগতাজা রক্ত শুকিয়ে গেলে কালো হয়ে যায়। এটি যুদ্ধের নৃশংসতা শেষ হওয়ার অনেক পরেও তার দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের চিহ্ন বহন করে।

৩. মেয়েটি কেন মরল না?

কবিতায় শিশু মারা গেল, দেবতারা চূর্ণ হলেন, কিন্তু "সেই মেয়েটির মৃত্যু হলো না।" এর দুটি সম্ভাব্য গভীর অর্থ আছে:

  • আদর্শগত দিক: মেয়েটি এখানে কেবল একজন মানুষ নন, বরং তিনি 'অপেক্ষারত ভালোবাসা' বা 'মাতৃভূমি'-র প্রতীক। অত্যাচারী বা যুদ্ধ ঘরবাড়ি ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু মানুষের ভেতরের আশা এবং ভালোবাসাকে হত্যা করতে পারে না।

  • বিমূর্ত রূপ: ধ্বংসের স্তূপের মাঝেও মানবিক আবেগ যে অবিনশ্বর, মেয়েটি সেই সত্যেরই প্রতিনিধি।


পাবলো নেরুদার কবিতার মূল সুরকে অক্ষুণ্ণ রেখে নবারুণ ভট্টাচার্য যেভাবে এটিকে বাংলায় রূপান্তর করেছেন, তা এক কথায় অনন্য। নিচে নবারুণের অনুবাদ শৈলী এবং কবিতার কিছু বিশেষ শৈল্পিক দিক আলোচনা করা হলো:

১. নবারুণ ভট্টাচার্যের অনুবাদ শৈলী: রুক্ষ ও শক্তিশালী

নবারুণ ভট্টাচার্য নিজে ছিলেন একজন দ্রোহের কবি। নেরুদার কবিতার রাজনৈতিক ও মানবিক যন্ত্রণাগুলো তিনি খুব কাছ থেকে অনুভব করেছিলেন।

শব্দ চয়ন: তিনি 'ধ্বংস' বোঝাতে 'চূর্ণ' বা 'দোমড়ানো লোহা'র মতো শব্দ ব্যবহার করেছেন যা যুদ্ধের বীভৎসতাকে সরাসরি চোখের সামনে তুলে ধরে।
আবেগ বনাম বাস্তবতা: নবারুণের অনুবাদে রোমান্টিকতা থাকলেও তা যুদ্ধের কঠোর বাস্তবতাকে ছাপিয়ে যায়নি। যেমন—"রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো" উপমাটি তিনি অত্যন্ত তীব্রভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

২. কবিতার শিল্পকলা ও আঙ্গিক (Artistic Aspects)

কবিতাটি পড়ার সময় আমরা কয়েকটি স্তরে এর বিবর্তন লক্ষ্য করি:

চলচ্চিত্রীয় বর্ণনা (Cinematic Narrative): কবিতাটি শুরু হয় একটি ক্লোজ-শট দিয়ে (দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি), এরপর ক্যামেরা ধীরে ধীরে দূরে সরে যায় (কুকুর, নান, ঘাস জন্মালো), এবং শেষে এক বিশাল ল্যান্ডস্কেপে গিয়ে দাঁড়ায় যেখানে আগুন আর ধ্বংসের তাণ্ডব চলছে।

রঙের ব্যবহার (Imagery of Colors):

হলুদ: শান্ত হলুদ দেবতারা (প্রাচীনত্ব ও জরাজীর্ণতার প্রতীক)।
গোলাপি: গোলাপি গাছ (হারিয়ে যাওয়া কোমল শৈশব বা প্রেমের প্রতীক)।
কালো: রক্তের কালো দাগ (মৃত্যু ও শোকের চূড়ান্ত পরিণতি)।
ব্যক্তিত্ব আরোপ (Personification): 'পাথরের মতো বছরগুলো নেমে এল তার মাথার ওপর'—এখানে সময়কে একটি জড় ও ভারী বস্তুর মতো দেখানো হয়েছে, যা মানুষের ওপর শারীরিক চাপ সৃষ্টি করে।

৩. বৈপরীত্যের অলঙ্কার (Contrast)

কবিতাটিতে কবি চমৎকার কিছু বৈপরীত্য ব্যবহার করেছেন যা এর শৈল্পিক মান বাড়িয়ে দিয়েছে:

সৃষ্টি বনাম ধ্বংস: একদিকে 'মিষ্টি বাড়ি', 'ঝুলন্ত বিছানা' আর অন্যদিকে 'কাঠকয়লা' ও 'দোমড়ানো লোহা'।
স্থিরতা বনাম গতি: মেয়েটি এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে (অপেক্ষা), অন্যদিকে পৃথিবী বদলে যাচ্ছে, যুদ্ধ আসছে, শহর ছাই হয়ে যাচ্ছে। এই স্থিরতা বনাম গতির লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হয় স্থির ভালোবাসার।

আপনার কৌতূহল মেটাতে:

নেরুদা এই কবিতাটি যখন লেখেন, তখন তিনি 'এস্পানিয়া এন এল কোরাজন' (España en el corazón) বা 'হৃদয়ে স্পেন' নামক কাব্যগ্রন্থের পরিকল্পনা করছিলেন। এই কবিতাটির মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, যুদ্ধ কেবল ঘরবাড়ি ভাঙে না, তা মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত স্বপ্নকেও চূর্ণ করে দেয়।

Newton Hossain

Newton Hossain, the founder of this blog, is a Lecturer of the English Language and also loves to explain Life science and Geography.

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post